আয়নাঘর
শরীরের বাঁকে
বাঁকে সাঁকো জেগে আছে, চাইলেই পেরিয়ে যাওয়া
যায় ঘন মাংসের বন। অজস্র পাহাড় স্রোত ভাঙতে থাকে লাল তরলের সাইকেল।
নত হয়। হাঁটু গেড়ে
বসে।
তবুও কি বাজে
কলিংবেল, — ওই ফিরোজা
রঙ বাসরের?
গলে পড়ে
ঋতুযান! হায়ানাও শিকার ছেড়ে তৃণভোজী সন্ন্যাসী হয়,
গায় গান নরম নরম
আদরের —
চাকা ঘোরে মরে
পড়ে থাকে আলো।
ঘুমিয়ে থাকা
আগুনের সহোদর, জাগলেই গ্রাসে নেয়
গোপন আয়নাঘর।
সু
হলে দ্যাখা
খুলে দিন জ্যামিতির শাড়ি, ধবধবে শাদা পাখি পড়ে
ফেলে
অ্যামেরিকা,—
বোমারু বিমান শিল্পকলা।
নেই অন্ন পেটে,
সুদৃশ্য কার্পেটে হাঁটবার সখ তো সমুচিত নয়, মনে
রাখা ভালো মজুরের ঘাম ভেঙে কুলিন দেয়ালময় প্রজাপতি উড়ে— যেভাবে
কৃষক তার কবিতায় শক্তি পাঠায় তাকে ঘৃণা করার!
মহামতি মানুষ
মোটেই পশ্চাৎপদ নয়, পিছে ফাটছে কোন বোমা
ডিনামাইট ভ্রুতে আঁকে না সেই ক্ষেপণকাল।
কালো দুধের
ক্ষেত জড়িয়ে সভ্যতার সু উড়ে আসে, চিকন সুরে
গান গায় সুরার পেয়ালায়।
ঘোর
সিজোফ্রেনিক
আলোয় পুড়ে ফ্লোরে হাঁটা লাল স্যান্ডেল জোড়া শীত ভুলে বাড়িয়ে নিচ্ছে ছায়াভ্রমণ—
সরে সরে যায় পা
দিলেই, স্যান্ডেল, য্যানো পা
আমার যুদ্ধ ঘোড়ার ক্ষুর!
বাড়ছে আলো,
ছায়ার শরীরে তার জ্বর জ্বর ঘোর।

No comments:
Post a Comment